ব্রেকিং নিউজ

x


চিৎকার করে কথা বললে ছড়াতে পারে করোনা!

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৭:১৮ অপরাহ্ণ

চিৎকার করে কথা বললে ছড়াতে পারে করোনা!

 

মহামারি করোনা ভাইরাসের থাবায় অনেকটা স্থবির পুরো পৃথিবী। করোনা থামাতে দিন রাত এক করে দিয়েছেন স্বাস্থ্য গবেষকরা। প্রতিনিয়ত চলছে গবেষণা। করোনা ঠেকাতে মাস্ক পরতেই হবে এমনটাই জানিয়েছেন তারা। তবে নিরাপদ দুরত্ব কতটুকু তার হিসেব নিয়ে গবেষণা চলছে।

ব্রিটিশ গবেষকদের মতে, ১-২ মিটারের দূরত্বকে নিরাপদ বলে দেয়া তত্ত্ব বহু পুরোনো। ড্রপলেট-বাহিত রোগের বিষয়টি সামনে এনে ১-২ মিটারের দূরত্বের কথা প্রথম বলেছিলেন জার্মান বিজ্ঞানী কার্ল ফাজ। ১৮৯৭ সালে। ১৯৪০ সালে হাঁচি-কাশির ছবি তুলে বোঝার চেষ্টা হয়, ড্রপলেট ঠিক কতটা দূরে যাচ্ছে।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় হাঁচি-কাশির ভিডিয়ো তুলে নিখুঁত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। তাতে দেখা গেছে গান গাইলে বা চিৎকার করে কথা বললে ৭-৮ মিটার পর্যন্তও ছড়িয়ে যেতে পারে ড্রপলেট, যার মাধ্যমে ছড়ায় নভেল করোনাভাইরাস!

চএই পর্যবেক্ষণকে সমর্থন করছে ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণাও। কোভিড রোগী ভর্তি রয়েছেন, এমন একটি ঘরে বাতাসের নমুনায় পরীক্ষা চালিয়ে তাঁরা দেখেন, রোগী থেকে ২-৪.৮ মিটার দূর পর্যন্ত করোনা-বোঝাই ড্রপলেট ছড়িয়ে পড়েছে।

আবার ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা এ কথাও বলছেন যে, সব পরিস্থিতির জন্য সামাজিক দূরত্বের নিয়ম এক হতে পারে না। খোলা জায়গার জন্য এক নিয়ম, আবার অফিস বা স্কুলের মতো আবদ্ধ জায়গার ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম হতে হবে। বদ্ধ জায়গায় বায়ু চলাচল কেমন, কত লোক রয়েছে, কতক্ষণ ধরে রয়েছে, তার উপরেও নির্ভর করবে সংক্রমণের সম্ভাবনা। যেমন, লোকজন বেশি রয়েছে, এমন বদ্ধ ঘরে জোরে কথা বললে, গান গাইলে বা চিৎকার করলে মাস্ক পরা থাকলেও সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। খোলা জায়গায় মাস্ক পরা অবস্থায় সেই ঝুঁকি নেই।

আবার বিনা মাস্কে ঝুঁকি প্রায় বদ্ধ ঘরের মতোই। তাঁরা দেখিয়েছেন, আমেরিকায় একটি গানের অনুষ্ঠানের রিহার্সালে একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে ২০ জনের মধ্যে রোগ ছড়ায়। ঘরে ছিলেন ৩২ জন, সামাজিক দূরত্ব মেনেই। চীনে একটি রেস্তোরাঁয় তিনটি পরিবারের দশ জন এক ঘণ্টা কাটিয়েছিলেন। দূরত্ব থাকলেও আক্রান্ত হন।

বাংলাদেশ সময়: ৭:১৮ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

protidin-somoy.com |

Development by: webnewsdesign.com