ব্রেকিং নিউজ

x


ওয়ারীতে ভোর থেকে লকডাউন শুরু

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০ | ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ

ওয়ারীতে ভোর থেকে লকডাউন শুরু

 

রাজধানীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে দ্বিতীয় রেডজোন হিসেবে ওয়ারীকে লকডাউন করা হচ্ছে ভোর থেকে। ভোর ছয়টা থেকে কার্যত অবরুদ্ধ করা হবে সেখানকার আটটি রাস্তা। লকডাউন চলাকালে কেউ ঘর থেকে বের হতে পারবেন না, বন্ধ থাকবে যান চলাচল। তবে অনলাইনে পণ্য কেনার পাশাপাশি জরুরি সেবা পাবেন বাসিন্দারা। আর দুঃস্থদের ঘরে বিনামূল্যে খাবার পৌঁছে দেবে সিটি করপোরেশন।

ওয়ারী আবাসিক এলাকার জনগণকে আগাম বার্তা দেয়া হয়েছে লকডাউনের। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আগামী ২১ দিন ঘর থেকে বের হতে পারবেন না কেউ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার ভোর থেকে লকডডাউন শুরু হবে ওয়ারীর বেশ কয়েকটি রাস্তা। ফলে, অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে পুরো এলাকা। বন্ধ থাকবে দোকান-পাট, যান চলাচল। কেউ কেউ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে রাখলেও জীবিকা নিয়ে শঙ্কিত।
নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে ফোন করলে মিলবে স্বাস্থ্যসেবা। কোভিড রোগীদের জন্য থাকছে আইসোলেশনের ব্যবস্থা। তবে, এসব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
জানা গেছে, ওয়ারী এলাকার তিনটি রোড ও পাঁচটি গলি এই লকডাউনের অধীনে থাকবে। রোডগুলো হলো- টিপু সুলতান রোড, যোগীনগর রোড ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন) পর্যন্ত। গলিগুলোর মধ্যে লারমিনি স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিট, ওয়্যার স্ট্রিট, র‌্যাংকিং স্ট্রিট ও নবাব স্ট্রিট লকডাউনের আওতায় থাকবে।
লকডাউন কার্যকর করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। প্রতিটি রাস্তা ও গলির মুখ বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিগত তিন দিন মাইকিং করে লকডাউনের প্রস্তুতিগুলো, সচেতনতা এলাকাবাসীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে। ওয়ারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নমুনা সংগ্রহের জন্য বুথ স্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে লকডাউন এলাকার নাম ও কট্রোল রুমের জরুরি ফোন নম্বর উল্লেখ করে ব্যানার টানিয়ে দেয়া হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরোয়ার হোসেন জানালেন, লকডাউনের ২১ দিন ওয়ারীর বাসিন্দাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করবে সিটি করপোরেশন।
অপরদিকে ডিএমপির ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখার আহমেদ আরটিভি নিউজকে বলেন, লকডাউন কার্যকরে ২৪ ঘণ্টা টহল দেবে পুলিশ। আইন অমান্য করলে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে লকডাউন কার্যকরে এলাবাসীকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এ বিষয়ে বলেন, ‘লকডাউন এলাকায় নন কোভিড রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেটা দেয়া হবে। শুধু ওষুধ ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। তাছাড়া দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী ই-কমার্সের মাধ্যমে মীনাবাজার, স্বপ্নসহ অন্যান্যরা সরবরাহ করবে। সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়া হবে। সেখানে করোনার নমুনা সংগ্রহ বুথ থাকবে। তাছাড়া ডিএসসিসির মহানগর জেনারেল হাসপাতালকে কার্যকর করে আইসোলেশন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। লকডাউন এলাকায় করোনা নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০

protidin-somoy.com |

Development by: webnewsdesign.com